Saturday, August 2, 2025

আফ্রিকা থেকে প্রথম হোমো স্যাপিয়েন্সের আবির্ভাব

হোমো স্যাপিয়েন্স (আধুনিক মানুষ) প্রায় ৭০,০০০ থেকে ৫০,০০০ বছর আগে আফ্রিকা থেকে পূর্ব দিকে যাত্রা শুরু করে এবং বিভিন্ন পথে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। তারা প্রথমে মধ্যপ্রাচ্য, তারপর এশিয়া এবং ইউরোপে যায়। এর পরে তারা আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছায়। 

এই ব্যাপক অভিবাসন বিভিন্ন পর্যায়ে ঘটেছিল, এবং বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন পথ এবং সময়কাল চিহ্নিত করেছেন: 

আফ্রিকা থেকে মধ্যপ্রাচ্য:

প্রায় ৭০,০০০ বছর আগে, হোমো স্যাপিয়েন্সের একটি দল আফ্রিকার বাইরে যাত্রা করে এবং সম্ভবত লেভান্ট (বর্তমান ইসরায়েল, ফিলিস্তিন, জর্ডান, লেবানন এবং সিরিয়ার কিছু অংশ) অঞ্চলে পৌঁছেছিল।

মধ্যপ্রাচ্য থেকে এশিয়া:

এরপর, তারা সম্ভবত দুটি প্রধান পথে এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে: একটি পথ ছিল দক্ষিণ উপকূল বরাবর, যা ভারতীয় উপমহাদেশ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া পর্যন্ত পৌঁছেছিল। অন্য পথটি ছিল মধ্য এশিয়া এবং চীন হয়ে পূর্ব এশিয়া পর্যন্ত।

এশিয়া থেকে ইউরোপ:

প্রায় ৪০,০০০ বছর আগে, হোমো স্যাপিয়েন্স ইউরোপে প্রবেশ করে। তারা সম্ভবত মধ্যপ্রাচ্য থেকে ইউরোপের দক্ষিণ ও পূর্ব অঞ্চলে এসেছিল।

আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়া:

প্রায় ১৫,০০০ থেকে ২০,০০০ বছর আগে, হোমো স্যাপিয়েন্স বেরিং প্রণালী (বর্তমানে আলাস্কা এবং সাইবেরিয়ার মধ্যে) অতিক্রম করে আমেরিকায় প্রবেশ করে। একই সময়ে, তারা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে নৌকায় করে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছেছিল।

এই পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল দীর্ঘ এবং জটিল, যেখানে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দল বিভিন্ন পথে ছড়িয়ে পড়েছিল। বিজ্ঞানীরা প্রত্নতাত্ত্বিক এবং জেনেটিক প্রমাণ ব্যবহার করে এই অভিবাসনের পথ এবং সময়কাল সম্পর্কে ধারণা লাভ করেছেন। 

Must Read Books Before Die

 

The Penguin History of the World: 6th Edition 

by J. M. Roberts and Odd Arne Westad

 

The discovery of India 

by Jawaharlal Nehru

 

No god but God: The Origins, Evolution, and Future of Islam

( 2005 non-fiction book) by 

Iranian-American Muslim scholar Reza Aslan

 

Essential Writings of Ralph Waldo Emerson 

by Ralph Waldo Emerson

 

The Tao Te Ching 

by Lao Tzu

 

The secret of Veda 

by Aurobindo (বেদ রহস্য)

 

The book of life 

by Book by Jiddu Krishnamurti


Krishnamurti's Notebook

 by Jiddu Krishnamurti

 

A History of Christianity: The First Three Thousand Years Book 

by Diarmaid MacCulloch

 

Orientalism 

by Edward Said

 

Indian philosophy volume 1 and 2 

by S. Radhakrishnan


The Hindus: An Alternative History 

by Wendy Doniger

 

The Yoga Sutras of Patanjali 

by Sage Patanjali

 

The Mahabharata 10-volume 

by Bibek Debroy's translation

 

Valmiki's Ramayana 

by Bibek Debroy's translation

 

Letters of Stoic 

by Seneca

 

The republic 

by Plato

 

Ashtavakra Gita (Ashtavakra Samhita) 

by sage Ashtavakra (dialogue between the sage Ashtavakra and Janaka, king of Mithila).

 

The book of the secrets 

by Osho

Learning to Silence the Mind: Wellness Through Meditation 

Book by Osho

 

The Supreme Yoga (2 Vols.): A New Translation of the Yoga Vasistha 

(Buddhist Tradition S.) Swami Venkatesananda.

 

Messages from the masters 

by Brian Weiss (another book many lives many masters)

 

The Life Divine

Book by Sri Aurobindo দিব্য জীবন

 

Transcendence: My Spiritual Experiences with Pramukh Swamiji,

 a book written by A.P.J. Abdul Kalam

 

The Upanishads

 

The Essential Rumi 

Book by Rumi


The Rigveda and Goswami Tulsidas


Man's Search for Meaning 

by Viktor E. Frankl: An autobiographical account of a Holocaust survivor's search for meaning and purpose amidst extreme suffering.


Sapiens: A Brief History of Humankind 

by Yuval Noah Harari: A thought-provoking look at the history of humanity and the forces that have shaped our species.


Atomic Habits 

by James Clear: A practical guide to building good habits and breaking bad ones for significant life improvement.


How to Win Friends and Influence People 

by Dale Carnegie: A classic self-help book offering timeless advice on social interaction and building positive relationships.


Meditations 

by Marcus Aurelius: The personal reflections of a Roman emperor on Stoic philosophy, offering wisdom on resilience, virtue, and finding inner peace. 


The self-aware universe 

Book by Amit Goswami


On Meditation 

By renowned spiritual leader, Sri M


vivek chudamani 

book by adi shankaracharya


A History of Western Philosophy 

Book by Bertrand Russell


Metahuman: Unleashing Your Infinite Potential 

Book by Deepak Chopra


The Shiva Sutras 

Book by Ranjit Chaudhri

***




Thursday, July 24, 2025

ULM ম্যানিফেস্টো ULM Manifesto

ULM ব্যবস্থাপনা মডেলের জন্য লক্ষ্য করার মতো বিষয়গুলি


১- প্রধান, বিধায়ক এবং এমপির তহবিল শুধুমাত্র বাইরে থেকে পণ্য আনার জন্য ব্যয় করা হবে কারণ সমস্ত উন্নয়ন ব্যবস্থা দ্বারা সম্পন্ন হবে।

২-সমস্ত ভবন ভূমিকম্প প্রতিরোধী কৌশল ব্যবহার করে নির্মিত হবে

৩- বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক সুযোগ-সুবিধাও পাওয়া যাবে।

৪- এই সিস্টেমটি বিমানবন্দরে আগত যাত্রীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করবে এবং পার্শ্ববর্তী জেলাগুলি থেকে বিমানবন্দরে যাওয়া যাত্রীদের কাছ থেকেও অর্থ সংগ্রহ করবে। শুধুমাত্র সেইসব ফ্লাইটই এই শহরে আসবে এবং যাবে যেগুলো উল্ম সিস্টেমকে সমর্থন করবে।

৫- বাইরে থেকে আসা পণ্যের জন্য, শুধুমাত্র UL সিস্টেমের পণ্য ট্রেনই পাওয়া যাবে কারণ ক্রমাগত চাহিদা থাকবে, তাই কমপক্ষে ১-২টি পণ্য ট্রেন আজীবনের জন্য স্থায়ীভাবে বুক করা হবে।

৬- এই ব্যবস্থায়, সাইকেল থেকে বাস পর্যন্ত সকল ধরণের যানবাহনের জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থান থাকবে যাতে সামাজিক স্তরে সকল ভালো যানবাহন ব্যবহার করা যায়। প্রতিটি গাড়ির মালিক হবে সিস্টেম, নাগরিক নয়, তাই কেউ গাড়িটি বাড়িতে রাখবে না কারণ শুধুমাত্র একটি কল বা বার্তার মাধ্যমে গাড়িটি তাৎক্ষণিকভাবে পৌঁছে যাবে।

৭- উল্ম সিস্টেমে ভালো আয় আনার জন্য, দেশের সেরা ডিজিটাল মার্কেটার এবং সকল অনলাইন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের চাকরির শূন্যপদ প্রকাশের মাধ্যমে আমন্ত্রণ জানানো হবে যাতে মানুষের পক্ষে বোঝা সহজ হয়।

৮- এই ব্যবস্থায় সামাজিক কুসংস্কার এবং কুসংস্কারের কোনও স্থান থাকবে না, তাই যারা এটিকে সমর্থন করবে তাদের ৩-৪টি নোটিশের পরে ব্যবস্থা থেকে বহিষ্কার করা হবে।

৯- এই ব্যবস্থার বাইরের লোকদের সাথে বিবাহ হবে না, এই ব্যবস্থায় ১-১ লক্ষ মেয়ে/মহিলাকে ১-১ লক্ষ ছেলে/পুরুষের সাথে বিবাহ দেওয়া হবে, যৌন মিলনের জন্য কোনও বয়সসীমা নেই তবে ব্যবস্থায় জোর গ্রহণযোগ্য নয়, সন্তান ধারণের জন্য মেয়েদের বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।

১০- গর্ভাবস্থার ৩-৪ মাস পর, একটি বিশেষ পরিষেবা দল ২৪ ঘন্টা পরিষেবা প্রদান করবে যাতে একটি সুস্থ শিশু জন্মগ্রহণ করে। প্রতিটি মেয়ের মাত্র ১-২টি সন্তান নেওয়ার অনুমতি রয়েছে এবং দুই সন্তানের মধ্যে ব্যবধান কমপক্ষে ৫ বছর হতে হবে এবং এই নিয়ম মেনে চলা বাধ্যতামূলক হবে। ছেলে হোক বা মেয়ে, সব একই রকম হবে কারণ বাবা-মাকে বিয়ের ব্যাপারে চিন্তা করতে হবে না এবং ছেলে-মেয়ের মধ্যে কোনও বৈষম্য করার প্রয়োজন হবে না।

১১- বয়স্ক, অসুস্থ এবং প্রতিবন্ধীদের কাজ করার প্রয়োজন নেই এবং তাদের ২৪ ঘন্টা একটি বিশেষ পরিষেবা দল দেখাশোনা করবে, তাই কর্মক্ষম জনসংখ্যার প্রায় ১০% কখনও কাজ করবে না।

১২- সকল শিশুর জন্য, প্রতিটি বৃত্তে, বিভিন্ন স্থানে, প্রয়োজন অনুযায়ী সর্বাধিক সংখ্যক শিশু পার্ক, প্রাপ্তবয়স্ক পার্ক, জাইম, ধ্যান, যোগ কেন্দ্র ইত্যাদির ব্যবস্থা করতে হবে এবং দেশে যতগুলি শিশু খেলনা পাওয়া যায়, সেগুলি আনা হবে, যা কেবল পার্কেই থাকবে, বাড়িতে থাকবে না কারণ পার্কগুলি খেলার জন্য, ঘর নয়, এবং পার্কগুলিতে বৃষ্টি এড়াতে অর্ধেক ছায়া এবং গরম এড়াতে এসি হল, বিজ্ঞান কেন্দ্র, জাদুঘর ইত্যাদি থাকবে।

১৩- ব্যবস্থাটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য, প্রয়োজন অনুসারে খাল নির্মাণ করা হবে এবং উপলব্ধ নদী থেকে জল নেওয়া হবে,

১৪- ঘুড়ি ওড়ানো, গুল্লি ডান্ডা খেলা, ঘুরে বেড়ানো ইত্যাদি সকল খেলার ব্যবস্থা করা।

১৫- সকল ধরণের উচ্চ স্তরের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজন অনুসারে ভবন সহ সকল সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে। এর জন্য, দেশের সকল বিধায়ক, সাংসদ, জেলাশাসক ইত্যাদি এবং ভিডিওতে আমি উল্লেখিত ১৫ জনের সকলের কাছ থেকে অনুদান নিতে হবে।

১৬- এই ব্যবস্থায় একটি বিশেষ নতুন শিক্ষা মডেল থাকবে, পুরনোটি নয়, যেমনটি সিরোহি স্যার উল্ম ব্যবস্থার জন্য বলেছেন। আমি বিশ্বাস করি যে শিক্ষাব্যবস্থা তৈরির জন্য যদি মধ্যস্থতা দর্শনের কিছু কার্যকর অংশ নেওয়া যায় তবে তা ভালো হবে।

১৭- মরিশাসের আয়তন ২০৪০ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা ১২.৭ লক্ষ। তাই, ভারতের উলম সিস্টেম মডেল থেকে কিছু লোককে ১০ লক্ষ পাম্পলেট সহ মরিশাসে পাঠানো হবে যাতে ১০ লক্ষ লোকের মধ্যে উলম সিস্টেম ছড়িয়ে দেওয়া যায়। যদি ১% লোকও প্রস্তুত থাকে, তাহলে সেই লোকেরা নিজেদের টাকায় ১০ লক্ষ পাম্পলেট বিতরণ করবে বা আলোচনা করবে যতক্ষণ না ১% ৫১% পর্যন্ত উলম সমর্থক হয়।

১৮- এই প্রকল্পের আওতায় থাকা সমস্ত পরিবারের মোট সম্পত্তি এবং মোট ঋণ এই প্রকল্পে আসবে। যদি কেউ এই স্কিমটি পছন্দ না করেন, তাহলে তিনি কোনও সমস্যা ছাড়াই তার প্রদত্ত সম্পত্তি এবং ঋণের ১০০% ফেরত নিতে পারবেন।

১৯- এই ব্যবস্থা তৈরি করার জন্য, প্রথমেই একটি প্রাচীর তৈরি করতে হবে এবং প্রত্যেককে তাদের পছন্দের ৫৬ ধরণের বিনামূল্যে খাবার সরবরাহ করতে হবে। তারপর, সবার জন্য পোশাক তৈরি করতে, যতটা প্রয়োজন মেশিন দিয়ে উৎপাদন শুরু করতে হবে। আপাতত, গৃহহীনদের জন্য শুধুমাত্র রাত্রিকালীন আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করা হবে কারণ সকল সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন একটি ভবন তৈরি করতে সময় লাগবে। এটি ঘটলেই মানুষের জীবনের মৌলিক চাহিদাগুলি ভালোভাবে পূরণ হতে শুরু করবে।


***


 মহাগুরুজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে নতুন গবেষণা করা জ্ঞান


লেখক, প্রশাসক, বক্তা, জনমত


জীবন দার্শনিক - জনাব প্রেমজিৎ সিরোহি জি --


জ্ঞান এজেন্ডা


ইউএলএম পার্টি / সম্পূর্ণ সমাধান ব্যবস্থা: ২০২৯ লোকসভা নির্বাচনের ইশতেহার (সংক্ষিপ্ত)


১- নতুন ব্যবস্থা:- ৬টি মডেল বাস্তবায়িত: দর্শন, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, শিক্ষা, পারিবারিক মডেল। শপথ গ্রহণের পরপরই কাজ শুরু হয়।


২-ঋণমুক্তি:- সরকার কর্তৃক সকল নাগরিকের ঋণ মওকুফ।


৩-বেকারত্ব এবং দারিদ্র্য:- নতুন/পুরাতন ব্যবসার জন্য উপলব্ধ সম্পদ, ১০০% কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা।


৪. সর্বজনীন মৌলিক আয় (UBI):- UBI প্রতিটি নাগরিককে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা প্রদান করবে, যা বাজারের প্রাপ্যতার সাথে সাথে বৃদ্ধি পাবে।


৫-ইউবিআই ব্যবহার: - সঞ্চয় করার দরকার নেই, বছরের শেষে অতিরিক্ত অর্থ সরকারকে ফেরত দেওয়া হবে। ভবিষ্যতের বিষয়ে কোনও চিন্তা নেই।


৬-শ্রম বাধ্যতামূলক: - প্রতিটি নাগরিককে আগ্রহ/সামর্থ্য অনুসারে সপ্তাহে ৪-৫ ঘন্টা, ৫ দিন কাজ করতে হবে।


৭-আবাসন সুবিধা:- পরিবারের আকার অনুযায়ী সজ্জিত অ্যাপার্টমেন্ট, ব্যক্তিগত সাজসজ্জার স্বাধীনতা।


৮-কমিউনিটি ডাইনিং হল: প্রতি ৫-১০টি অ্যাপার্টমেন্টের নিচে সুস্বাদু, পুষ্টিকর খাবার, চা-কফি ইত্যাদির সুবিধা।


৯-ধর্মভিত্তিক শহর:- বিভিন্ন ধর্ম/সম্প্রদায়ের জন্য পৃথক শহর, শান্তি নিশ্চিত করা।


১০- সাধারণ সুযোগ-সুবিধা:- ৫-১০ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে রেস্তোরাঁ, যানবাহন, সুইমিং পুল, জিম, ধ্যান/যোগ কেন্দ্র, লাইব্রেরি, মল, সিনেমা, পার্ক, স্কুল, হাসপাতাল, স্টেডিয়াম, ধর্মীয় স্থান ইত্যাদি।


১১-নিরাপদ রাস্তা:- বৈদ্যুতিক চালকবিহীন যানবাহন, পৃথক ট্র্যাক, আলো, জল, নিষ্কাশন ব্যবস্থা, শূন্য দুর্ঘটনা।


১২- অপরাধ/দূষণ থেকে মুক্তি: আপনার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পণ্য/পরিষেবা, সুযোগ-সুবিধা ইত্যাদি তাৎক্ষণিকভাবে উপলব্ধ করার মাধ্যমে অপরাধ ও দূষণ দূর করা হবে।


১৩-অর্থ-মুক্ত অর্থনীতি: লাভ-ক্ষতি, ক্রয়-বিক্রয় শেষ, তাহলে এখন কেন দারিদ্র্য, দুর্নীতি, অপরাধ, সব কিছুতেই?


১৪- অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি:- ১০০% নাগরিকের সমৃদ্ধ জীবন, শোষণ/দূষণের অবসান।


১৫- বয়স-ভিত্তিক সুবিধা: সরকার ০-২৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য, ২৫-৫০ বছর বয়সীদের জন্য হালকা শ্রম, ৫০+ বছর পর্যন্ত সম্পূর্ণ সুবিধা, বয়স্কদের জন্য পরিষেবা দল প্রদান করে।


১৬-বিশেষ যত্ন:- শিশু, প্রতিবন্ধী, গর্ভবতী মহিলা এবং বয়স্কদের জন্য প্রশিক্ষিত পরিষেবা গোষ্ঠী।


১৭- কৃষি সংস্কার:- পুরাতন গ্রাম/শহর পরিষ্কার করে উচ্চমানের, রাসায়নিকমুক্ত কৃষি; বৈজ্ঞানিক তত্ত্বাবধানে পুষ্টিকর ফসল। পুরাতন গ্রাম/শহর পরিষ্কার করে, প্রায় ৫০% মানব ও প্রাকৃতিক সম্পদ আবার

সকল ULM বন্ধুদের শুভেচ্ছা: -২১/০৭/২০২৫ (আমার বয়স ৩৬ বছর)




আজ আমি আপনাদের সকলকে একটি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে চাই যে, ULM ব্যবস্থা কি অবিলম্বে কোনও একটি জেলায় বাস্তবায়ন করা যায় না? কারণ আমার একটি ধারণা আছে যা নিয়ে আলোচনা করা হলে, ভারতের সংবিধান থাকা সত্ত্বেও, আমরা ১৫-১৬ লক্ষ জনসংখ্যার দেশের যেকোনো একটি জেলায় ULM ব্যবস্থার মডেল বাস্তবায়ন করতে পারি।


১:- এই ULM শহর প্রতিষ্ঠার জন্য, প্রথমে যেকোনো জেলায় কমপক্ষে ৮ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের একটি বৃত্ত তৈরি করতে হবে এবং পুরো এলাকাটি একটি পুরু প্রাচীর দিয়ে ঘেরা থাকতে হবে, তবে সেই জেলা থেকে আসা রেলপথ এবং NH-এর জন্য গেটগুলি ছেড়ে দেওয়া হবে যাতে ULM শহর দেশের যেকোনো স্থান থেকে তার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র চাইতে পারে এবং ULM শহরের যা কিছু অতিরিক্ত আছে, তা বাইরে বিক্রি করবে। এতে, প্রাচীরের বাইরে কর্তব্যরত ব্যক্তিরাও ULM সিস্টেমের সদস্য হবেন যাতে তারা বাইরে থেকে ভিতরে এবং ভিতরে থেকে বাইরে পণ্য পরিবহন করতে পারেন। প্রাচীরের ভিতরে INR/CURRANCY/অনলাইন পেমেন্টের প্রয়োজন হবে না কারণ মুদ্রা ছাড়াই সবকিছু পাওয়া যাবে তবে যারা বিনোদন বা গেম খেলার জন্য অনলাইনে পেমেন্ট করতে চান, ULM সিস্টেম তাদের UBI দেবে যা সেই শহরে ব্যবহার করা হবে না, এটি শুধুমাত্র সেই কাজের জন্য হবে যা ULM সিস্টেম করতে অক্ষম হবে।


২. নতুন ইউএলএম নগরে, দেশের প্রায় সকল পঞ্চায়েত থেকে কমপক্ষে ১টি পরিবারকে এই ইউএলএম ব্যবস্থায় বসবাসের প্রস্তাব দেওয়া হবে যাতে তারা তাদের পঞ্চায়েতে তাদের প্রকৃত অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে পারে এবং পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনে সমগ্র দেশে ইউএলএম ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে পারে।


৩ যেহেতু আমরা সীমিত এলাকা এবং সীমিত সম্পদ নিয়ে উলম মডেল তৈরি করছি, তাই আমাদের বাইরে থেকে অনেক কিছু আনতে হবে যা সিস্টেমের দায়িত্ব হবে। অতএব, সিস্টেমটি দেশের অন্যান্য জেলা থেকে ২ লক্ষ পরিবারকে এখানে স্থানান্তরিত করবে এবং তাদের আগ্রহ এবং ক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করাবে এবং উচ্চমানের পণ্য এবং পরিষেবা উৎপাদন করবে এবং দেশের সমস্ত জেলায় বিক্রি করবে। অর্থের বিনিময়ে, সিস্টেমটি উলম ব্যবস্থায় বসবাসকারী নাগরিকদের চাহিদা অনুসারে সমস্ত পণ্য এবং পরিষেবা কিনবে এবং উলম ব্যবস্থার নিয়ম লঙ্ঘন করবে না। উদাহরণস্বরূপ, উলম ব্যবস্থায় বসবাসকারী নাগরিকদের স্বাস্থ্যের দৃষ্টিকোণ থেকে নিম্নমানের প্যাকেজিং খাবার দেওয়া হবে না। খারাপ নেশাও দেওয়া হবে না যা দুর্গন্ধ এবং আবর্জনা ছড়ায় যেমন খৈনি, গুটখা, সিগারেট এবং সস্তা মদ ইত্যাদি। মনে রাখবেন, আমরা মানুষকে তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী জীবন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে তাদের এখনই সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হবে কারণ তাদের স্মৃতিতে এখনও পুরনো জ্ঞান রয়েছে যার কারণে তাদের কিছু খারাপ অভ্যাসও থাকবে যা বন্ধ করা গেলেই কেবল ব্যবস্থা চালানো সম্ভব হবে, যার মধ্যে নেশাই প্রধান, এর পরেও কিছু ঘটতে পারে, আমাদের তা দেখতে হবে।


আপাতত, আসুন আমরা এই ৩টি অনুচ্ছেদ বুঝতে পারি এবং সেগুলো নিয়ে আলোচনা করি, তারপর আমরা এতে আরও মনোযোগ দেব, যখন নতুন প্রশ্ন আসবে, তখনই মন সেগুলো সমাধানের জন্য কাজ করবে, তাই না?



ULM व्यवस्था मॅाडल के लिए ध्यान देने योग्य बाते 

1-मुखिया,विधायक व सांसद के fund सिर्फ बाहर से माल लाने मे होगा क्युकी सारा विकास तो व्यवस्था ही करेगा 


2-सारे बिल्डिंग भूकंपरोधी टेक्निक से बनेगा 


3- एयरपोर्ट पर इंटरनेशनल सुविधा भी उपलब्ध रहेगा 


4- एयरपोर्ट पर आने वाले यात्री से व्यवस्था पैसा लेगा और अगल बगल वाले जिलों से एयरपोर्ट पर जाने वाले यात्री से भी पैसा व्यवस्था ही लेगा. इस नगर मे सिर्फ वही फ्लाइट आएगा जाएगा जो ulm व्यवस्था को सपोर्ट करेगा 


5- बाहर से आने वाला माल के लिए ulm व्यवस्था का ही मालगाड़ी रहेगा क्युकी बराबर जरूरत पड़ेगा इसलिए कम से कम 1-2 मालगाड़ी परमानेंट लाइफटाइम के लिए book रहेगा 


6-इस व्यवस्था मे सभी प्रकार के साईकिल से लेकर bus तक के लिए निश्चित fix जगह रहेगा ताकि समाजिक स्तर पर सभी अच्छे गाड़ियों के इस्तेमाल हो. हर गाड़ी के मालिक व्यवस्था ही रहेगा ना कि नागरिक इसलिए कोई भी अपने घर मे गाड़ी नहीं रखेगा क्युकी सिर्फ एक call या msg पर ही गाड़ी तुरंत आ जाएगा.


7-ulm व्यवस्था के पास अच्छा इनकम लाने के लिए देश के सबसे अच्छा अच्छा डिजिटल मार्केटर और online सभी क्षेत्रो के expert को आने के लिए प्रस्तावना दिया जाएगा रोजगार के vacancy निकालकर ताकि लोगो को समझने मे आसानी होगा


8-इस सिस्टम मे समाजिक कुरीतियों और अंधविश्वास के कोई जगह नहीं होगा, इसलिए जो लोग इसे सपोर्ट करेंगे उन्हें व्यवस्था से बाहर कर दिया जाएगा 3-4 notice के बाद


9-विवाह इस व्यवस्था से बाहर के लोगो के साथ नहीं होगा, इसी मे उपलब्ध 1-1 लाख लड़की /महिला के शादी उपलब्ध 1-1 लाख लड़का /पुरुष के साथ होगा, सेक्स करने के कोई उम्र सीमा नहीं लेकिन जबरदस्ती व्यवस्था को मंजूर नहीं, बच्चे पैदा करने के लिए कम से कम 25 वर्ष उम्र होना चाहिए लड़कीयों का.


10-प्रेगनेंसी के 3-4 महीना के बाद से स्पेशल सेवा team के द्वारा 24 घंटे सेवा उपलब्ध ताकि स्वस्थ बच्चा पैदा हो, हर लड़की को सिर्फ 1-2 ही बच्चा पैदा करने के अनुमति और दोनों बच्चा के अंतराल कम से कम 5 वर्ष होनी चाहिए और इस नियम को पालन करना अनिवार्य होगा, बेटा हो या बेटी एक ही समान रहेगा क्युकी पेरेंट्स को ना तो शादी के चिंता करनी है ना ही लड़का लड़की के बीच अन्य भेदभाव करने के जरूरत होंगी 


11-बुजुर्ग, बीमार, दिव्यांग को काम करने के कोई जरूरत नहीं और इन्हे 24 hrs स्पेशल सेवा team द्वारा care किया जाएगा इसलिए काम करने वाले संख्या मे से लगभग 10% लोग कभी काम नहीं करेगा


12-सभी बच्चों के लिए जगह जगह पर सबसे ज्यादा चाइल्ड पार्क, adult पार्क, zym, मैडिटेशन, योगा सेंटर इत्यादि सभी सुविधा हरेक सर्किल मे जरूरत के हिसाब से और चाइल्ड toys देश मे जितना उपलब्ध हो सभी लाया जाएगा जो कि पार्क मे ही रहेगा ना कि घर मे क्युकी खेलने के लिए पार्क है घर नहीं और पार्क मे बारिश से बचने के लिए आधा शेड और गर्मी से बचने के लिए ac हॉल, scince centre, musium, इत्यादि


13-व्यवस्था को सुचारु रूप से चलाने के लिए जरूरत के हिसाब से नहर बनाकर उपलब्ध नदियों से लिया जाएगा, 


14-पतंग उडाने, गुली डंडा खेलने, आसपास खेलने इत्यादि सभी खेलो के लिए व्यवस्था करना


15-सभी प्रकार के उच्च स्तर शिक्षा और प्रशिक्षण के लिए बिल्डिंग सहित जरूरत के हिसाब से सभी व्यवस्था उपलब्ध होगा इसके लिए देश के सभी विधायक, सांसद, dm इत्यादि और मेरे द्वारा वीडियो मे बताये सभी 15 लोगो से डोनेशन लेनी है


16-इस व्यवस्था मे स्पेशल new शिक्षा model रहेगा ना कि पहले वाला रहेगा जैसा ulm व्यवस्था के लिए सिरोही सर बताये है. मेरा मानना है कि शिक्षा व्यवस्था बनाने के लिए माध्यस्थ दर्शन के भी उपयोगी कुछ हिस्सा लिया जा सके तो अच्छा रहेगा.


17-मरीशस देश के क्षेत्रफल 2040 km squre और जनसंख्या 12.7 लाख है, तो भारत के ulm व्यवस्था के मॅडल से कुछ व्यक्ति को मारिसश भेजा जाएगा वहा ulm व्यवस्था को 10 लाख लोगो तक पहुंचाने के लिए 10 लाख pumphlate के साथ जिसमे सिर्फ 1% लोग भी तैयार हुआ तो फिर वो लोग अपने पैसा से 10 लाख pumphlate बंटेगा या चर्चा करेगा तब तक ज़ब तक कि 1% बढ़कर 51% तक ulm सपोर्टर बन जाए


18-व्यवस्था मे आने वाले सभी परिवारों के कुल सम्पति और कुल कर्जा व्यवस्था के पास आ जाएगा, अगर किसी को यह व्यवस्था पसंद नहीं आया तो फिर आपन दिया हुआ सम्पति और कर्जा दोनों 100% वापस ले लेगा बिना किसी परेशानी के सामना किए.


19-इस व्यवस्था को बनाने के लिए सबसे पहला काम दिवार खड़ा करना और सभी को मनपसंद 56 प्रकार के मुफ्त भोजन मुहैया कराना होगा, फिर सभी के लिए कपड़े बनाने हेतु जरूरत के हिसाब से उतने मशीन से उत्पाद शुरू कराना होगा. बेघरों के लिए फिलहाल तो सिर्फ रैन बसेरा बनाया जाएगा क्योकि सभी सुख सुविधा से युक्त बिल्डिंग बनाने मे तो समय लगेगा. इतना होते ही लगभग इंसान के जीवन के लिए बुनियादी जरूरतें अच्छे से पूरा होने लगेगा.

Tuesday, July 22, 2025

সীমানা

 সীমানা

হিরণ্য জ্যোতি


AYMARI


জগন্ময় ধর


গার্গী


প্রকাশক ও পুস্তক বিক্রেতা ৬৩ আনন্দ পালিত রোড কলিকাতা- ৭০০০১৪

বিকেল চারটা নাগাদ সেন্ট্রাল এভিনিউর কফি হাউসে একা একা বসে কফি খাচ্ছিলাম, হঠাৎ দেখি সীমানা এসে ঢুকলো, ও আমাকে দেখেই জিজ্ঞেস করল মুখার্জিদা কেমন আছেন? আমার উত্তর পাওয়ার অপেক্ষা না করে আমার টেবিলে এসে বসলো। ওর বয়স পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই হবে। ভদ্র শাড়ি ব্লাউজ পরেই সে এসেছে। ওর ব্যক্তিত্ব চোখে পড়ার মত। সরু ফ্রেমের চশমা। ওর ব্যক্তিত্ব এমনই যে সব পুরুষকেই ওকে যথেষ্ট সমীহ করে কথা বলতে হবে।


সীমানা ব্যক্তিগত কারণে বিয়ে করেনি। ওর সঙ্গে আজ ৪/৫ বছর পর দেখা। ও যাদবপুর ইউনিভার্সিটি থেকে Mathematics নিয়ে M.Sc. পাশ করেছিল। ভাল স্কুলে চাকরি করত, কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যে কোন কারণেই হউক মতের মিল না হওয়ার জন্য চাকরি ছেড়ে দিয়ে বাড়িতে উঁচু ক্লাসের ছেলে মেয়েদেরকে গ্রুপ করে করে পড়াচ্ছে।


আমি হরিশ মুখার্জি রোডে ওদের পাড়াতে ছিলাম। বেশ কিছুদিন হয় বোসপুকুরে ফ্ল্যাট কিনেছি। আমিও যাদবপুরে পড়াশুনা করেছি। যাদবপুরের ছাত্র ছিলাম এই বলে আগে খুব গর্ববোধ হত, কিন্তু আজ এই ছাত্র সমাজ দুষিত পরিবেশের প্রবাহে উশৃঙ্খলতাকে প্রশ্রয় দিয়েছে। ছাত্র সমাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে পারছে না। এই সমস্যার সমাধান কি করে করা যায় তা নিয়ে কর্তৃপক্ষ হিমসিম খাচ্ছেন। আমরা পরস্পর এই নিয়েই আলোচনা করছিলাম আমাদের সময় সুশৃঙ্খলতা বজায় রেখে সংগঠন করা হত। নেতার যথেষ্ট সংগঠন পরিচালনা করার দক্ষতা ছিল, যোগ্যতাও ছিল। নেতাকে সবাই পথপ্রদর্শক বলত।


আজ নেতারা সঠিক নেতৃত্ব দেওয়ার বিচার বুদ্ধি হারিয়ে ফেলেছে। যুব সমাজ, ছাত্র সমাজ এই উপযুক্ত নেতার অভাবে শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে এগিয়ে


৫০

যেতে পারছে না, কলেজে, বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সংগঠনের শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এতই ভেঙে পড়েছে জোড়া লাগাবার লোকের অভাব। বর্তমান ছাত্রসমাজের কথা আলোচনা করে আমাদের মন খুব বিষণ্ণ হয়ে গেল এবং ওদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে খুবই চিন্তা ও কষ্ট হচ্ছিল।


সীমানা শিক্ষাজগতে থাকাতে কর্তৃপক্ষের শিক্ষা ব্যবস্থা খুব গুরুত্ববিহীন হয়ে পড়েছে তা আমার কাছে খুব পরিষ্কার হয়ে গেল। আমি নিজেকে শিক্ষার জগৎ থেকে অনেকদিন আগেই গুটিয়ে নিয়েছিলাম। আমি ব্যবসা করি, তবে শিক্ষা নিয়ে যে আলোচনার খুব প্রয়োজন তা ভুললে চলবে না।


আমাদের কফি খাওয়া হয়ে গেল। প্রায় পৌনে পাঁচটা বাজে। আমরা উঠব ভাবছি, হঠাৎ দেখি উত্তর কলকাতার শ্যামপুকুর স্ট্রীটের সৃজিৎ বোস ঢুকলেন। উনিও যাদবপুরের ছাত্র ছিলেন, তবে আমার সিনিয়র। এখন বয়স ৬০/৬৫ হবে। কেন্দ্রিয় সরকারের উচ্চপদে চাকরি করতেন। আমার সঙ্গেই পরিচয় ছিল। আমাকে দেখে আমার টেবিলেই এসে বসলেন। সীমানার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলাম। সীমানা যাদবপুরের ছাত্রী ছিল বলে ওকে মর্যাদা দিতে ত্রুটি করলেন না। বোসবাবুর সঙ্গে বেশ কিছুদিন পর দেখা হলো। উনি বরাবর ধূতি পাঞ্জাবী পরতেন। উত্তর কলকাতার আদি বাসিন্দাদের ধুতি পাঞ্জাবী পরারই প্রচলন বেশি ছিল। বোসবাবু সুশিক্ষিত, সংস্কৃতি সম্পন্ন ও খুবই রুচি সম্পন্ন ভদ্রলোক। ঘিলে করা পাঞ্জাবী ও চশমা দেখলেই বোঝা যায় উনি উত্তর কলকাতার লোক। আমি ওনার কফির অর্ডার দিয়ে দিলাম যেহেতু উনি আমার টেবিলেই এসে বসেছেন। উনি খুব ভাল ছোট গল্প লিখতে পারতেন। পূজা সংখ্যায় ওনার লেখা বেরুতো। আমার টেবিলে বসেই বললেন আজকাল বিজ্ঞানের প্রযুক্তিতে সবই হারিয়ে যেতে বসেছে। কাগজে লেখালেখির কাজও উঠেই যাবে। শিক্ষার মান বাড়িয়ে বেকার সমস্যার সমাধান তো দূরের কথা বেকার সমস্যা বাড়িয়ে দিয়েছে। শিক্ষিত যুবসমাজ চাকুরি করে আর্থিক সংস্থার ব্যবস্থার কোনও সুযোগ খুঁজে না পেয়ে বাঁচার জন্য অসামাজিক কাজে লিপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এত লোকসংখ্যা বহণ করাই এখন ধরিত্রীর বড় চিন্তা। যথাযথ আমাদের আলোচনার মূল বিষয় বস্তু হলো বর্তমানে চাপিয়ে দেওয়ার শিক্ষা ব্যবস্থা, রাজনৈতিক দ্বন্দু, অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ায়, অবহেলিত নারী সমাজ, পারিবারিক একে অন্যের বোঝাপড়ার অভাব, সমাজবিরোধীদের দৌরাত্ম্য, শহরে, জেলায় জেলায়, গ্রামে গঞ্জে পুলিশ প্রশাসন চেষ্টার ত্রুটি করছেন না। শান্তি শৃঙ্খলা


৫১

আনার, কিন্তু দেখা যাচ্ছে আইন শৃঙ্খলা নেই বললেই চলে। টিভির দৌলতে দ্রব্যের বিজ্ঞাপণ দেখাতে গিয়ে অশ্লীলতা কতটুকু নামানো যায় তা নিয়ে প্রস্তুতকারকরা প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েছেন। অসামাজিক কাজ প্রাধান্য দিয়ে নাটকের প্রস্তুতকারকরা সমাজের কথা ভুলে গিয়ে তাদের অর্থনৈতিক পরিকাঠামো আরও পোক্ত করার চেষ্টা করছেন। সমাজের আবালবৃদ্ধবনিতা এই দেখে ওরা কি পারে সে দিকে ওনারা চোখ বন্ধ করে রেখেছেন। ছোট বড় সবাই আগ্রহ নিয়ে দেখাচ্ছে ও কৌতূহল নিয়ে গুরুজনকে জিজ্ঞেস করছে অনেক প্রশ্ন। এই দেখে ছোটদের বয়স বেড়ে যাচ্ছে। কাগজ পড়ে, টিভি দেখে মনে হয় নারী যেন বস্তু বা দ্রব্যসামগ্রী হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আমাদের আলোচনার পরিবেশের প্রভাবে পাশের টেবিলের আরও কয়েকজন অপরিচিত শ্রোতা আমাদের আলোচনায় অংশ নিলেন। আমরা এক ব্যাপারে সবাই একমত, সব কিছুরই আলোচনা হয়, সমালোচনা হয়, পর্যালোচনা হয়, ব্যস, করা উচিৎ বলার গন্ডির থেকে বেরুতে পারে না। সবই আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ। সুশৃঙ্খল সমাজ তৈরী করতে হবে নিজের নিজেদের কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে এগিয়ে যেতে হবে সঙ্গবদ্ধভাবে।


সাড়ে পাঁচটা বাজে বোসবাবুর মোবাইল ফোন বেজে উঠলো, ওনার ছেলের বৌ অনুরাধা জিজ্ঞেস করছে বোসবাবু পাঁচটার ঔষধ খেয়েছেন কি না এবং বলে দিচ্ছে সুগারফ্রি দিয়ে কফি খেতে। আমি জিজ্ঞেস করলাম বৌদি কি ফোন করেছে, দেখুন তো বৌদি আপনার কত খেয়াল রাখে। তার প্রত্যুত্তরে বোসবাবু বললেন, না না আমার অভিভাবিকা সে কে? আমার ছেলের বৌ অনুরাধা বোস। আজ ২/৩ বছর হয় অনুপমকে বিয়ে করিয়েছি। কাগজ দেখে। কবীর রোডের মেয়ে। ব্র্যাবর্ন কলেজ থেকে বি.এ. পাশ করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইকনমিক্স নিয়ে এম. এ. পাশ করেছে। বাবা মা-র একই মেয়ে। পারিবারিক লোকজনদেরকে আপন করার শিক্ষাটা বাবা-মার কাছ থেকে খুব ভালভাবে পেয়েছে। ওরাই তো সমাজের পথপ্রদর্শক। ওর মা প্রফেসার, বাবা রাজ্য সরকারের কর্মচারী। ওরা যথেষ্ট সচ্ছল। বোসবাবু বললেন আমাদের মেয়ে নেই। কিন্তু তোমার বৌদিও আমাকে শাসন করে ও ভালবেশে এত কাছে টেনে নিয়েছে চিন্তা করতে পারবে না। আমাদের সব সমস্যা ও-ই মাথায় নিয়ে নিয়েছে। আমাদের মেয়েও বোধহয় এত খেয়াল করত না। সকাল থেকে রাত অব্দি আমরা কি খাব, কি ওষুধ খাব, আমাদের বলার অপেক্ষা করে না। আমাদেরকে জিজ্ঞেস করেই সাপ্তাহিক


রান্নার চার্ট করে দিয়েছে। আমাদের মন রাখার জন্য হোক বা ভালবেসেই হোক অনুরাধা নিজে রান্না করে। তোমার বৌদি তো রান্না ঘরের দরজাই ভুলে গিয়েছে। অতিথিদেরকে কি ভাবে আবাহন ও আপ্যায়ন করা উচিৎ তা ওর কাছ থেকে শিক্ষনীয়। ওর চালচলন, ভদ্র ব্যবহার, আদবকায়দা, কথা বলার ধরণ, ভদ্র পোষাক পরে চলাফেরা করা খুবই লক্ষণীয়। সবাইকার মন জয় করে সবাইকার কাছে খুব প্রিয় হয়ে উঠেছে। আত্মীয়স্বজনের খোঁজ নিতে ওর কোন ত্রুটি নেই। ও-ই সবাইকার যোগসূত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমার সারা সপ্তাহের ধুতি পাঞ্জাবী প্রেস করে সাজিয়ে রেখে দেয়। আমার শারীরিক, মানসিক, অর্থনৈতিক সব দিকেই ভীষণ নজর দিয়ে থাকে। অনুপমকে প্রথম দিনই বলে দিয়েছে বাবা মার প্রতি কর্তব্যের যেন কোন রকম গাফিলতি না হয়। অনুরাধা বলে দিয়েছে, সে-ও এই পরিবারের একজন স্থায়ী সদস্য। সে-ও পরিবারকে সুস্থ রাখার জন্য দায়বদ্ধ। সে চায় আমাদের দৈনন্দিন জীবনটা যেন মধুর থেকে আগামীকাল আরও মধুরতর হয়। প্রতি মাসে আমাদেরকে ডাক্তার দিয়ে চেক আপ করার পুরোপুরি দায়িত্ব ওর ঘাড়ে নিয়ে নিয়েছে। তবে আমিও যখন বাড়ি ফিরি ওর পছন্দমত খাবার নিয়ে আসে। আমাকেও ওকে কাছে টেনে নিতে হবে। বোসবাবুর শ্যামপুকুরে তিনতলা বাড়ি। নীচতলায় ভাড়াটে। দু-তলায় ছয়টা ঘর। অনুরাধা দক্ষিণের দুটো ঘরই শ্বশুর শাশুড়ির থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। বোসবাবুকে ফ্লাস্কে খে কফি দিয়ে থাকে, কারণ ওনার খুব কফি খাওয়ার নেশা। শাশুড়ি গল্পের বই পড়তে ভালবাসেন, অনুরাধা পূজা সংখ্যার সবকটা বইই শাশুড়ির জন্য কিনে এনেছে। বোসবাবু বললেন ওর দাম্পত্য জীবনও খুব সুখের। বরের প্রয়োজনীয় জিনিষ সব সময় হাতের কাছে রেখে দেয়। ও অনুপমকে বলেছে এতদিন তোমার মা বাবা কষ্ট করে ধরে রেখে ছিলেন সংসারকে। তোমার শৈশবকাল থেকে চাকুরি পাওয়া অব্দি কি পরিশ্রমই না করেছেন। আজ তুমি প্রতিষ্ঠিত হয়ে এত বড় চাকরি করছ। তোমার প্রতিষ্ঠিতের পিছনে তোমার বাবা-মার অবদান অনস্বীকার্য। আমি অংশীদার হিসাবে তোমার সঙ্গে আছি, তুমি প্রতিদান দিতে ভুল করবে না, তা না হলে বিধাতা অভিশাপ দেবেন। অনুপম বাড়িতে এসেই মা বাবার কাছে প্রথমে হাজিরা দিয়ে নিজের ঘরে যায়, তারপর মায়ের ঘরে বসেই চারজনে চা খায়। অনুরাধা এই বাড়িতে এসে এই নিয়মগুলি চালু করেছে।


বোসবাবু বললেন বর্তমান পরিবেশে আমার ছেলের বৌ দৃষ্টান্ত। ওর


৫৩


এত শিক্ষাগত যোগ্যতা, কিন্তু কোনো অহমিকা নেই। সবার কাছে আমাদের মাথা উঁচু করে দিয়েছে। ওর সব কাজই প্রশংসনীয়। এখন নাতি নাতনির মুখ দেখার অপেক্ষায়। প্রায় সাড়ে ছয়টা বেজে গেল, এবার ওঠা যাক, এত সময় বোসবাবুর কাছ থেকে দৃষ্টান্ত স্বরূপ ছেলের বৌয়ের মন জয় করার কৃতিত্ব শোনা গেল এবং সবাইকে বলার বিষয় হয়ে রইল। সীমানা শুধু ওঠার আগে বললো মেয়েটা সর্বগুণে গুণী। আশীর্বাদ করছি ও যে আপনাদেরকে সব সময় আনন্দ দিয়ে থাকে। এরকম বাড়ির বৌ হলে পারিবারিক অনেক সমস্যাই মিটে যাবে।


৫৪

Wednesday, June 25, 2025

১০০টি মার্জিতভাবে বলা গালি বা তাচ্ছিল্যসূচক শব্দ ..

 

🔴 Control freak (কন্ট্রোল ফ্রিক) – সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চায়

🔴 Smart aleck (স্মার্ট অ্যালেক) – নিজেকে খুব চালাক ভাবে

🔴 Attention seeker (অ্যাটেনশন সিকার) – নজর আকর্ষণ করতে চায়

🔴 Overconfident (ওভারকনফিডেন্ট) – অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী

🔴 Childish (চাইল্ডিশ) – ছেলেমানুষ

🔴 Immature (ইম্যাচিউর) – অপরিপক্ব

🔴 Cold fish (কোল্ড ফিশ) – নিরুত্তাপ ব্যক্তি

🔴 Paranoid (প্যারানয়েড) – সবকিছুতে সন্দেহ করে

🔴 Liar face (লাইয়ার ফেইস) – মুখে মিথ্যা লেখা

🔴 Noisy (নয়জি) – উচ্চস্বরে বিরক্তিকর

🔴 Overdramatic (ওভার-ড্রামাটিক) – অতিরঞ্জিত নাটকীয়

🔴 Stubborn (স্টাবার্ন) – একগুঁয়ে

🔴 Spoiled brat (স্পয়েল্ড ব্র্যাট) – বখে যাওয়া শিশু

🔴 Narcissist (নার্সিসিস্ট) – আত্মমুগ্ধ

🔴 Two-faced (টু-ফেইসড) – দ্বিমুখী

🔴 Backstabber (ব্যাকস্ট্যাবার) – পেছনে ছুরি মারা

🔴 Drama queen (ড্রামা কুইন) – অতি নাটুকে

🔴 Lazy bum (লেজি বাম) – অলস

🔴 Troublemaker (ট্রাবলমেকার) – ঝামেলাবাজ

🔴 Hypocrite (হিপোক্রিট) – ভণ্ড

🔴 Loudmouth (লাউডমাউথ) – অতিরিক্ত চেঁচানো লোক

🔴 Dumb (ডাম্ব) – বোকা

🔴 Fool (ফুল) – গাধা, মূর্খ

🔴 Idiot (ইডিয়ট) – গর্দভ

🔴 Moron (মরন) – নির্বোধ

🔴 Stupid (স্টুপিড) – বোকা

🔴 Blockhead (ব্লকহেড) – গোঁয়ার মূর্খ

🔴 Clown (ক্লাউন) – বেয়াদব, হাস্যকর

🔴 Jerk (জার্ক) – বাজে লোক

🔴 Creep (ক্রিপ) – অস্বস্তিকর ব্যক্তি

🔴 Slacker (স্ল্যাকার) – দায়িত্ব এড়িয়ে চলা

🔴 Show-off (শো অফ) – আত্মপ্রদর্শনকারী

🔴 Snob (স্নব) – অহংকারী

🔴 Arrogant (অ্যারোগ্যান্ট) – দাম্ভিক

🔴 Bossy (বসি) – অন্যদের ওপর নির্দেশ দেয়

🔴 Bully (বুলি) – দুর্বলদের ভয় দেখায়

🔴 Crybaby (ক্রাইবেবি) – কান্নাকাটি করা লোক

🔴 Slutty (স্লাটি) – চরিত্রহীন (মেয়েদের ক্ষেত্রে)

🔴 Player (প্লেয়ার) – ছলনাকারী প্রেমিক

🔴 Scumbag (স্কামব্যাগ) – জঘন্য ব্যক্তি

🔴 Skank (স্ক্যাঙ্ক) – নোংরা/চরিত্রহীন নারী

🔴 Trashy (ট্র্যাশি) – অরুচিপূর্ণ, নিম্ন মানের

🔴 Obnoxious (অবনক্সিয়াস) – বিরক্তিকর

🔴 Nosy (নোজি) – অযথা অন্যের ব্যাপারে মাথা ঘামায়

🔴 Pompous (পম্পাস) – দাম্ভিকভাবে কথা বলে

🔴 Miser (মাইজার) – কৃপণ

🔴 Know-it-all (নো ইট অল) – সব জানে ভাব ধরে

🔴 Boring (বোরিং) – একঘেয়ে

Ayman Sadiq & Munzereen Shahid Fan Club 

🔴 Lame (লেম) – দুর্বল/ভোঁতা

🔴 Manipulative (ম্যানিপুলেটিভ) – চালাকভাবে প্রভাবিত করে

🔴 Cold-hearted (কোল্ড-হার্টেড) – নির্দয়

🔴 Judgmental (জাজমেন্টাল) – সবকিছুতে বিচার করে

🔴 Ungrateful (আনগ্রেটফুল) – অকৃতজ্ঞ

🔴 Bigmouth (বিগমাউথ) – মুখে লুকায় না

🔴 Gossip (গসিপ) – কানকথা ছড়ায়

🔴 Fake (ফেইক) – ভণ্ড

🔴 Weird (উইয়ার্ড) – অদ্ভুত

🔴 Psycho (সাইকো) – মানসিকভাবে অসুস্থ

🔴 Obsessed (অবসেস্ট) – অন্ধভাবে আসক্ত

🔴 Possessive (পজেসিভ) – অধিকারবোধ প্রবণ

🔴 Jealous (জেলাস) – ঈর্ষাকাতর

🔴 Flaky (ফ্লেইকি) – দায়িত্বজ্ঞানহীন

🔴 Needy (নিডি) – সবসময় কারো দৃষ্টি চায়

🔴 Lousy (লাউজি) – গর্হিত, বাজে

🔴 Untrustworthy (আনট্রাস্টওয়ার্দি) – বিশ্বাসযোগ্য নয়

🔴 Unreliable (আনরিলায়েবল) – নির্ভর করা যায় না

🔴 Disrespectful (ডিসরেসপেক্টফুল) – অসম্মানজনক

🔴 Impolite (ইমপোলাইট) – ভদ্র নয়

🔴 Vulgar (ভালগার) – অশ্লীল

🔴 Insensitive (ইনসেনসিটিভ) – অনুভূতিহীন

🔴 Gross (গ্রোস) – অরুচিকর

🔴 Messy (মেসি) – বিশৃঙ্খল

🔴 Grumpy (গ্রামপি) – খিটখিটে

🔴 Nosy Parker (নোজি পার্কার) – অনধিকারচর্চাকারী

🔴 Pickpocket (পিকপকেট) – পকেটমার

🔴 Letch (লেচ) – লুচ্চা

🔴 Freeloader (ফ্রিলোডার) – অন্যের পয়সায় চলে

🔴 Moocher (মুচার) – সবসময় ধার করে

🔴 Deadbeat (ডেডবিট) – দায়িত্বহীন লোক

🔴 Hater (হেটার) – হিংসুক

🔴 Wannabe (ওয়ানাবি) – হবার ভান করা

🔴 Overreactor (ওভার-রিয়্যাক্টর) – সামান্য বিষয়ে অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেয়

🔴 Letcherous (লেচারাস) – লোলুপ

🔴 Persecution freak (পার্সিকিউশন ফ্রিক) – সবসময় ভাবে সবাই তাকে কষ্ট দিচ্ছে

🔴 Gross-out (গ্রোস-আউট) – অসহ্যভাবে বিরক্তিকর

🔴 Chatterbox (চ্যাটারবক্স) – অকারণে অনেক কথা বলে

🔴 Gold digger (গোল্ড ডিগার) – টাকার লোভে সম্পর্ক করে

🔴 Cold-blooded (কোল্ড-ব্লাডেড) – নিঃসংকোচে খারাপ কাজ করে

🔴 Manipulator (ম্যানিপুলেটর) – চালাকভাবে নিয়ন্ত্রণকারী

🔴 Overbearing (ওভারবেরিং) – কর্তৃত্ব চাপিয়ে দেয়

🔴 Sourpuss (সাওয়ারপুস) – মুখে সবসময় বিরক্ত ভাব

🔴 Nasty (নাসটি) – জঘন্য, বাজে আচরণ

🔴 Rude (রুড) – লুচ্চা 

🔴 Wicked (উইকড) – দুষ্টু

🔴 Cruel (ক্রুয়েল) – নিষ্ঠুর

🔴 Mean (মিন) – নিচু মনমানসিকতার

🔴 Greedy (গ্রিডি) – লোভী

🔴 Selfish (সেলফিশ) – স্বার্থপর

🔴 Liar (লাইয়ার) – মিথ্যাবাদী

🔴 Cheater (চিটার) – প্রতারক

🔴 Coward (কাওয়ার্ড) – কাপুরুষ

🔴 Pervert (পারভার্ট) – বিকৃত রুচির

🔴 Sick-minded (সিক-মাইন্ডেড) – মানসিক বিকারগ্রস্ত


দৈনন্দিন মুখস্ত ছাড়ায় সাবলীলভাবে দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে ঘরে বসে ইংরেজিতে কথা বলা শিখুন Spoken English কোর্সটি করে।


Spoken English কোর্সে যা যা পাবে...

✅ মুখস্ত ছাড়াই ইংরেজি শেখার পরিপূর্ণ নিশ্চয়তা।

✅ দেশে -বিদেশে এবং চাকরির ক্ষেত্রে ইংরেজিতে কথা বলার শতভাগ নিশ্চয়তা।

✅ এই কোর্সটি ১০-৫০ বছর বয়সী সকলে করতে পারবেন।

✅ কোর্সটিতে মোট ৭০টি ক্লাস পাবেন যা আপনার দৈনন্দিন প্রতিটি কাজে মুখ্য ভূমিকা রাখবে।

✅ কোর্সে পাচ্ছেন স্লাইড, পিডিএফ এবং ৬ মাস মেয়াদি কোর্স।

✅ কোর্স শেষে পাচ্ছেন একটি ফ্রি সার্টিফিকেট যা যেকোন চাকরির ক্ষেত্রে আপনার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

✅ কোর্সটি থাকছে ৬ মাসের জন্য।

✅ সাথে থাকছে ফেসবুক সাপোর্ট গ্রুপ যেখানে লাইভ ক্লাস ছাড়াও পাবেন আপনার সকল সমস্যার সমাধান। 


📌 Spoken English এ ভর্তি হওয়ার লিংক https://10ms.io/wb8RJZ


✅ ভর্তির নিয়মাবলীঃ

১. কোর্স লিংকটিতে কপি করে Chrome ব্রাউজার এর মাধ্যমে ওপেন করতে হবে।

২. এরপর -কোর্সটি কিনুন" বাটনে ক্লিক করুন।

৩. শুরু করুন " বাটনে ক্লিক করুন।

৪. এরপর আপনার মোবাইল নাম্বার দিন।

৫. এরপর আপনার মোবাইল নাম্বারে ৪ ডিজিট এর কোড আসবে ওটা বসান।

[এরপর আপনার নাম চাওয়া হলে নাম দিয়ে এগিয়ে যান ]

৬. পেমেন্ট অপশনে ক্লিক করে বিকাশ/নগদ সিলেক্ট করুন।

৭. পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী এগিয়ে যান।

কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন।


✅ বিঃদ্রঃ কোর্স কেনার সময় ফেসবুক লাইট থেকে বিরত থাকুন, অবশ্যই ফেসবুক এ্যাপস থেকে কোর্স কিনবেন।


✅ আমাদের ইংরেজি কোর্সে বিদেশ থেকে ভর্তি হতে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন 👉 01710294173 ( 10 Minute School Team) সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা..

Tuesday, May 20, 2025

যৌনতা অপরাধ প্রয়োজন নাকি আনন্দ?

 যৌনতা, সমাজ ও নিঃসঙ্গ আত্মা: এক গভীর অন্তরযাত্রা। 


মানুষের ইতিহাসে যৌনতা কখনো নিষিদ্ধ, কখনো পবিত্র, আবার কখনো বিপ্লবের রসদ হয়ে থেকেছে। যুগে যুগে মানুষ কামনার ছায়ায় নিজের নিঃসঙ্গতা ঢাকতে চেয়েছে। তবে আজকের সময়টা ভিন্ন। আগে যৌনতা ছিল সম্পর্কের অন্তরঙ্গ ভাষা, এখন তা হয়ে উঠেছে সম্পর্কহীন এক চাহিদা। পর্নোগ্রাফির অন্তহীন ভাণ্ডার, চোখের একটুখানি ক্লিকেই পাওয়া শরীরী উত্তেজনা, আর সেইসাথে মানুষের একাকীত্ব সব মিলিয়ে যৌনতা আজ এক অনিয়ন্ত্রিত ঢেউ।


এই ঢেউ কেবল শরীর ছুঁয়ে যায় না, এটি মন, সমাজ, সংসার, অর্থনীতি সব কিছুকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। আর আমরা, আধুনিক মানুষ, স্রোতের প্রতিকূলে দাঁড়িয়ে বোঝার চেষ্টা করি "কী এমন হলো, যে মানুষ সংসার টিকিয়ে রাখতে পারছে না, অথচ শরীর খোঁজার ইচ্ছেটা এত প্রবল হয়ে উঠেছে?"


মানুষ আজ অতীতের চেয়ে বেশি নিঃসঙ্গ। সামাজিকভাবে আমরা অনেক বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন, ফলোয়ার নিয়ে ঘেরা থাকলেও আমাদের ভেতরের জীবনটা ক্রমেই একা হয়ে পড়ছে। বাড়ছে মানসিক বিষণ্ণতা, আত্মবিশ্বাসের সংকট। মানুষ নিজের সাথে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেছে। যে কারণে শরীরই হয়ে উঠেছে তার কাছে সহজতম মুক্তির পথ।


আর এই মুক্তিকে সহজলভ্য করেছে প্রযুক্তি। ২৫ মিলিয়নের বেশি পর্নোগ্রাফি সাইট, প্রতিদিন ১১ কোটি মানুষ পর্ন দেখে—এসব সংখ্যার পেছনে লুকিয়ে আছে অগণিত একাকী মানুষের কান্না। যে কান্না কেউ দেখতে পায় না, কেবল ক্লিকের আওয়াজে শুনে ফেলে: "আমি আর কারো হতে পারছি না, তাই চোখের সামনে যা পাচ্ছি, সেটাই আমার পরিত্রাণ।"


এই মুহূর্তে পৃথিবীর অধিকাংশ স্মার্টফোন ব্যবহারকারী বিশেষত যুব সমাজ নিয়মিত বা অনিয়মিত পর্নোগ্রাফির গ্রাহক। সহজলভ্যতা, গোপনীয়তা, এবং দ্রুত তৃপ্তির ইঙ্গিত পর্নকে এমনভাবে সামনে এনেছে, যেন এটি কোনও আপদ নয়, বরং ‘স্ট্রেস রিলিফ’-এর সামাজিকভাবে স্বীকৃত উপায়।


কিন্তু প্রশ্ন রয়ে যায়—এই স্বস্তি কি দীর্ঘস্থায়ী?


পর্ন থেকে চাহিদা জন্ম নেয়, কিন্তু তৃপ্তি নয়। বরং জন্ম নেয় আরো অস্থিরতা। আর এই অস্থিরতা মানুষকে বাস্তব জীবনের সম্পর্ক থেকেও সরিয়ে দেয়। আমরা দেখতে পাই অনেক দম্পতির সংসারে যৌন আকর্ষণ কমে যায়, কারণ একজনের মন পরিপূর্ণ হয়ে থাকে ভার্চুয়াল উত্তেজনায়। তখন শরীর পাশে থাকলেও মন থাকে পর্দার ওপারে। সম্পর্ক হয় শুষ্ক, স্পর্শ হয় যান্ত্রিক।


যৌনতা কেবল শারীরিক নয় এ একধরনের মানসিক ও আত্মিক সংযোগ, যা ধ্বংস হয় যখন তা কেবল ভোগে সীমাবদ্ধ থাকে।


এইখানেই এসে দাঁড়ায় আরেকটি গভীর প্রশ্ন—মানুষ কি শুধুই শরীর চায়?


না। মানুষ চায় ছুঁয়ে যাওয়া, বোঝা, বিশ্বাস, গ্রহণযোগ্যতা। কিন্তু আজকের অর্থনৈতিক কাঠামোযেখানে প্রতিদিনের জীবনে চাপ, চাকরির অনিশ্চয়তা, দীর্ঘ সময় কাজ করা, পরিবারে সময় না দেওয়াএসবই এক ধরণের বিচ্ছিন্নতা তৈরি করছে। আমরা সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারছি না, কারণ আমরা নিজের সাথেই সম্পর্ক তৈরি করতে শিখিনি।


অনেক সংসার ভেঙে যাচ্ছে, কারণ সেখানে শরীর থাকলেও হৃদয়ের কোনও স্পর্শ নেই। যৌনতা হয়ে উঠেছে বাধ্যতামূলক এক রুটিন, আনন্দ নয়। আর যখন এই রুটিন ব্যর্থ হয়, তখন মানুষ সরে যায়। পর্ন, এক্সট্রা-মেরিটাল অ্যাফেয়ার, টিন্ডারের বায়োতে নতুন করে ‘সোলমেট’ খোঁজা এসব কিছু মিলিয়ে আমরা আজ এক সংবেদনশূন্য মিলনের যুগে বাস করছি।


অর্থনীতি আর সমাজ মিলিয়ে যৌন চাহিদাকে একধরনের পণ্য বানিয়ে ফেলেছে। কোম্পানি বিজ্ঞাপন বানায় শরীর দেখিয়ে, ক্লিকবেইট করে নারীদেহকে সামনে রেখে। বাজার বুঝে গেছে যৌনতাই বিক্রির সবচেয়ে সহজ উপায়। তাই এখন আমরা শারীরিকভাবে নয়, মানসিকভাবে যৌনতা দ্বারা চালিত হচ্ছি। একটা আধা-খালি মনের ভেতর বাজার ঢুকিয়ে দিয়েছে কামনার কণ্ঠস্বর।


তবে আশার কথা হলো মানুষ এখনও ভালোবাসা চায়। মানুষ এখনও ভেতরে ভেতরে একটা বন্ধন খোঁজে। সহজিয়া ও বৈষ্ণব দর্শনে বারবার ফিরে আসে এই বার্তা যৌনতা যদি প্রেমহীন হয়, তবে তা পাপ নয়, অর্থহীন। আর যদি প্রেম-স্নেহ-ভক্তির মধ্যে ঘটে, তবে তা পরম তত্ত্বে পৌঁছানোর এক সম্ভাবনাময় পথ।


শুধু শরীর নয়, মন চাই, আত্মিক সংযোগ চাই এই উপলব্ধি থেকেই শুরু হয় মুক্তি।

সেই মুক্তির পথে যেতে হলে প্রথমেই দরকার নিজের অন্তর্জগৎকে চেনা। কী চাও? কী হারিয়েছো? কেন এত বেশি করে শরীর খুঁজছো? এই প্রশ্নগুলোকে হৃদয়ের দরজায় নিয়ে যাও। কেবল তখনই বোঝা যাবে কামনা কোনো দোষ নয়, কিন্তু তার ভুল রূপ আমাদের আত্মাকে শুকিয়ে দেয়।


শেষকথা নয়, শুরু:


যৌনতা যদি প্রেমের ভেতর দিয়ে যায়, তবে তা মুক্তির সিঁড়ি। যদি তা শুধু ভোগে সীমাবদ্ধ থাকে, তবে তা আত্মার দাসত্ব।

সেই সত্যিকারের মিলনের জন্য দরকার নিজের মধ্যে নামা। দরকার আত্ম-সংলাপ। দরকার ভয় ছাড়া নিজেকে দেখা।

কারণ, আমরা সবাই কাউকে খুঁজি হয় বাস্তবে, না হলে পর্দার ওপারে। কিন্তু কখনো কি খুঁজি নিজেকেই?


রাম নারায়ণ রাম 🙏🔱🙏


#viewersfriendsfollowers #highlights2025 #viralpost2025 #followerseveryone #followersシ゚ #viewers #highlight #PostViral #রোশনি #বাঘিনী



***


শম্পা রায়, আমার প্রিয় একজন কবি, বহুগামিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন । বেশ সুন্দর সেই আলোচনা । এ বিষয়ে, এটুকুই সংযোজন করতে পারি, যে, মানুষ প্রাকৃতিকভাবেই একগামী নয় । একগামিতার ধারণা পুরষের দান । নারীর উপর আধিপত্য বজায় রাখার জন্য এই ধারণা চালু করেছিল পুরুষ । 

এটা আমার কথা নয়, বিজ্ঞানের কথা । 'কনস্ট্রাকশান অব এডাল্ট' গ্রন্থে, গের্টরুড ভোল্ফ বলেছেন, একগামিতার ধারণাও, একদিন, মুছে যেতে পারে । 

বহুগামিতা বা একগামিতাও এক ধরনের সংস্কৃতি । বহুবিবাহ, এ কারণে, বেশ কিছু সমাজের সংস্কৃতি । অপরদিকে, একগামিতাও তাই । 

এটা হরমোনজনিত, বলে, কেউ কেউ আলোকপাত করতে চেয়েছেন । শম্পা অবশ্য নৈতিকতার প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন । 

প্রশ্ন হল, এই নৈতিকতাও পুরুষের অবদান, তারই স্বার্থে, যা মানুষ মান্যতা দিয়ে এসেছে । যৌনতা ও সম্পর্ক নির্ধারিত করে অক্সিটকিন । এটা আর এক দিক । 

একগামিতা বা বহুগামিতা ব্যক্তিগত বিষয়, বলে, কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন । ব্যক্তির স্বাধীনতাকে যদি মান্যতা দিতে হয়, তাহলে প্রেম, ভালোবাসা, যৌনতা, বহুগামিতা বা একগামিতাও ব্যক্তিগত হতে বাধ্য । 

বাকি রইল প্রতারণার বিষয়টি । 

লক বলেছেন, মানুষ প্রতারিত হতে চায় বা হয়ে আনন্দ পায় । এটা ঠিক, প্রতারণা খুব খারাপ । সম্পর্ক এবং বিবিধ ক্ষেত্রে এটা ক্ষতিকারক । বিশেষ করে, ভুক্তভোগীর কাছে এটা ঘৃণ্য । 

বিজ্ঞান দেখেছে, প্রতারণা আনন্দ দেয়, রোমাঞ্চিত করে, রহস্যময় এবং ঘৃন্যও । এটা এক ধরনের ক্যান্সার, যা দূর হবার নয় । মনোবিজ্ঞান থেকে শুরু করে নীতিবিজ্ঞান এ বিষয়ে একমত । 

প্রতারিত হতে কেউ চায় না । তারপরও প্রতারিত হয় মানুষ । যৌনতার ক্ষেত্রে, সম্পর্কের ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে । আরও কত ক্ষেত্রে যে প্রতারিত হয় মানুষ । 


শম্পার লেখা আমাকে ভাবিয়েছে । তাকে ধন্যবাদ দিই এ নিয়ে ভেবেছেন বলে ।


***


সে'ক্স ও সফলতা একসাথে চলে না। 

তাই কোন অসংযত পুরুষ কখনোই মহান হতে পারে না"।


কিছু পুরুষ সফলতার স্বপ্ন দেখে। কিছু পুরুষ সফলতার জন্য পরিশ্রম করে। আবার কিছু পুরুষ শুরু হওয়ার আগেই তাদের সফলতা ধ্বংস করে ফেলে।


আপনি জানেন কি?❓

অনেক পুরুষের সবচেয়ে বড় বিভ্রান্তি হলো সে'ক্স।‼️


যে পুরুষ ভোগের পেছনে ছুটে, সে কখনোই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে না। আর যে পুরুষ নিজের ইচ্ছেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, সে-ই সবার চেয়ে এগিয়ে থাকে। কেননা সফলতার জন্য দরকার কঠোর নিয়মানুবর্তিতা। আর যৌন আস'ক্তি সেই নিয়মানুবর্তিতাকে ধ্বংস করে দেয়।


তাই আপনি যদি নিজের কামনাকে নিয়ন্ত্রণ না করতে পারেন,

তাহলে ভবিষ্যতও আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না।❗


➤ কঠিন সত্যঃ🛐


1️⃣ ক্ষমতাবান পুরুষ যৌন-বিভ্রান্তি এড়িয়ে চলে, দুর্বল পুরুষ না বলতে পারে না।

ইতিহাসের সব মহান পুরুষদের একটা বিষয় মিল: তারা ছিল কঠোর নিয়মানুবর্তিতায় অভ্যস্ত।


আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট ৩০ বছরের মধ্যেই পৃথিবী জয় করেছিলেন—তিনি মেয়েদের পেছনে সময় নষ্ট করেননি।


এলন মাস্ক সপ্তাহে ১০০ ঘণ্টা কাজ করেন—তিনি মেয়েদের সাথে চ্যাট করে সময় নষ্ট করেন না।


মোহাম্মদ আলী লড়াইয়ের আগে যৌনতা থেকে বিরত থাকতেন—কারণ তিনি জানতেন নিয়ন্ত্রণ মানেই শক্তি।


কিন্তু আজকের অনেক পুরুষ কী করছে?

প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা প'র্ন ও মা'স্টারবে'শনে নষ্ট করছে।

মেয়েদেরকে ইমপ্রেস করতে শেষ টাকা পর্যন্ত খরচ করছে।

একটা মেয়ের জন্য কাঁদছে, ভবিষ্যত গড়ার চেয়ে।

অথচ কোনো মহান পুরুষ কখনোই তার কামনার দাস ছিল না।


2️⃣ যৌ'নতা আপনার শক্তি, মনোযোগ, ও উদ্যম কেড়ে নেয়।

প্রতিবার আপনি "রিলিজ" করলে, আপনি কেবল কয়েক সেকেন্ডের আনন্দ হারান না— আপনি হারান:

টে'স্টোস্টেরন (যা আপনাকে শক্তি ও সাফল্য দেয়)

উদ্যম (জয় পাওয়ার ক্ষুধা)

মানসিক স্থিরতা (মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা)

তাইতো অনেক পুরুষ যৌ'নতার পর ক্লান্ত ও অলস অনুভব করে।


ভাবুন, আপনি যদি প্রতিদিন এভাবে নিজেকে দুর্বল করে ফেলেন— তাহলে আপনি কীভাবে শক্তিশালী হবেন?


3️⃣ মেয়েদের পেছনে প্রতিটি মিনিট মানে নিজের ভবিষ্যৎ থেকে দূরে যাওয়া। প্রতিদিন আপনি কত সময়:

মেয়েদের ছবি স্ক্রল করে কাটান?

ফ্লার্ট ও চ্যাটিংয়ে ব্যয় করেন?

প'র্ন দেখে বা মাস্টা'রবেট করে নিজের শক্তি নষ্ট করেন?


ভাবুন, এই সময়গুলো যদি আপনি ব্যয় করতেন:

উচ্চ আয়ের দক্ষতা শেখায়, নিজের ব্যবসা বা ক্যারিয়ারে, শরীর গঠনে— তাহলে আপনাকে কারো পেছনে ছুটতে হতো না, তারা নিজেরাই আপনার দিকে ছুটে আসত।


4️⃣ ইতিহাস বলে, যৌ'ন দুর্বলতাই অনেক মহান পুরুষকে ধ্বং'স করেছে।

ভেবে দেখুন, ইতিহাসের অনেক শক্তিশালী পুরুষ কীভাবে ধ্বং'স হয়েছে? না যুদ্ধ, না দারিদ্র্য— বরং যৌ'ন দুর্বলতায়।

শিম'শোন (Samson) তার শক্তি হারিয়েছিল ডেলিলার কারণে।

সলো'মন ছিলেন জ্ঞানী, কিন্তু নারীদের কারণে ধ্বং'স হয়েছিলেন।

টাই'গার উ'ডস হারিয়েছেন কোটি কোটি টাকার স্প'নসরশিপ যৌ'ন স্ক্যা'ন্ডালের জন্য।

বিল ক্লিনটনের ক্যারিয়ার পড়ে গিয়েছিল বিপদের মুখে।


অর্থাৎ একজন অসংযত পুরুষ মানে একটি নিশ্চিত বিপর্যয়ের অপেক্ষা।


5️⃣ নারীরা কখনোই এমন পুরুষকে সম্মান করে না যে নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে না।

আপনি কি ভাবেন, কোনো নারী তার পেছনে ছুটে বেড়ানো একজন পুরুষকে সম্মান করে? না। নারীরা সম্মান করে সেই পুরুষকে যার আছে: লক্ষ্য, আত্মসংযম, বড় কোনো মিশন জীবনে।


যখন আপনি আপনার উদ্দেশ্যে মনোযোগ দিবেন, নারীরাই আপনাকে খুঁজবে।


6️⃣ প'র্ন, মা'স্টারবেশন ও আকস্মিক যৌ'নতা পুরুষদের দুর্বল করে দিচ্ছে। আধুনিক পুরুষ: দুর্বল, অলস, অর্থনৈতিকভাবে দুর্দশাগ্রস্ত— এবং এর মূল কারণ হলো সস্তা আনন্দে আসক্তি।


প'র্ন ধ্বংস করে আপনার মস্তিষ্ক।

মা'স্টারবেশন খেয়ে ফেলে আপনার উদ্যম।

ক্যাজুয়াল সে'ক্স নষ্ট করে আপনার নিয়মানুবর্তিতা।


ফলাফল?⁉️

পুরুষেরা আজ: অনুপ্রাণিত না, আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত, হতাশাগ্রস্ত ও দিকহীন।


7️⃣ যে পুরুষ নিজের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, সে ভবিষ্যৎও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।

আপনি হয়ত বলছেন আপনি ধনী, ক্ষমতাবান ও সফল হতে চান। কিন্তু আপনি কি পারেন:

এক সপ্তাহও সে'ক্স বা প'র্ন ছাড়া থাকতে?

কাজের মাঝে নারীর চিন্তা বাদ দিতে?

প্রতিটি নারী দেখে তার পেছনে না ছুটতে?


যদি নিজের শরীরকেই আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন,

তাহলে এই পৃথিবী আপনি কীভাবে জয় করবেন?


8️⃣ সফল পুরুষ সে'ক্সকে নিয়ন্ত্রণ করে, ব্যর্থ পুরুষ সে'ক্সের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

সে'ক্স একটি মাধ্যম। দুর্বলরা এটা ব্যবহার করে শুধুই আনন্দের জন্য। শক্তিশালীরা ব্যবহার করে এটা নিয়ন্ত্রণের জন্য।


সফল পুরুষ জানে কবে, কীভাবে এই চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। ব্যর্থ পুরুষ নিজের কামনার গোলাম হয়ে থাকে। 

অথচ এই পৃথিবী শাসন করে সেসব পুরুষ, যারা ভোগ নয় বরং নিয়ন্ত্রণকে বেছে নেয়।


9️⃣ নারী আসবে যাবে, কিন্তু সফলতা চিরস্থায়ী।

আজকে আপনি হয়ত ১০০ জন নারীর সাথে আছেন, কালকে তারা একসাথে চলে যেতে পারে। কিন্তু যদি আপনার থাকে: অর্থ, ক্ষমতা, অবস্থান— তাহলে শত শত নারী নিজে থেকেই আসবে।


তাই সফল পুরুষদের নারীর অভাব হয় না, আর দুর্বল পুরুষদের জীবন কাটে পিছনে ছুটে।‼️


🔟 প্রথমে নিয়মানুবর্তিতা, পরে আনন্দ।

সেক্স নিজে খারাপ কিছু নয়। কিন্তু যদি আপনি আনন্দকে উদ্দেশ্যের আগে রাখেন, তাহলে আপনি সবসময় সংগ্রামে থাকবেন। যদি আপনি আত্মসংযম রপ্ত করেন, তাহলে আপনি সবার চেয়ে এগিয়ে থাকবেন।


☞ শেষ কথা:

যদি আপনি ধনী, শক্তিশালী ও সফল হতে চান⁉️ তাহলে প্রথম শিখুন নিজের ভোগের ইচ্ছাকে নিয়ন্ত্রণ করতে। 


কারণ শেষ পর্যন্ত…

যে পুরুষ নিজের কামনাকে জয় করে, সে-ই নিজের ভবিষ্যৎ জয় করে। আর যে পুরুষ ভোগের পেছনে ছুটে, সে একদিন সবকিছু হারায়।


***



Monday, May 19, 2025

HDFC Credit Card

 TO - Creditcards.curing@hdfcbank.com 


CC-   saurabh.dwivedi@hdfcbank.com


BCC -    creditcard9325@gmail.com


SUBJECT  -   25E10D83551940E1



CHANGE OF INFORMATION DECLARATION 

Date :  19/05/2025

Manager - AFU 

HDFC Bank Cards Division 

P.O.Box No.8654 

Thiruvanmiyur P.O. 

Chennai - 600 041 


Dear Sir/Madam, 


Subject: Application Reference Number______ 25E10D83551940E1 


Residence Address

Door No./Flat No.:

Street/Lane:

Area:

Landmark:

City:

State:

Pin Code:

Correct Residence Phone No.98309 25502

Mobile No.:




I Confirm that all details Confirmed are mine and thereby authorize the details stated above.


Your sincerely          

MADHAB RANJAN SARKAR

ডাক্তার ডেভিসের ডায়েরি : দ্য চেঞ্জিঙ ফেস অব জেনোসাইড

বীরাঙ্গনাদের বন্ধু ডা. জিওফ্রে ডেভিস | Geoffrey Davis  ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতার পরে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নির্যাতনের শিকার লক্ষাধ...