Friday, November 14, 2025

ঋত্বিক ঘটকের পরিবারের করুণ কাহিনী

 বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক ঋত্বিক ঘটকের নাতনি অদিতি ঘটকের মৃত্যু প্রায় এক যুগ আগের ঘটনা। ২০১২ সালের ডিসেম্বরে এক রহস্যজনক গাড়ি দুর্ঘটনায় ১৯ বছর বয়সী অদিতির মৃত্যু হয়েছিল, এবং তার পরিবার এই ঘটনাকে খুন বলে অভিযোগ করেছিল। 

মৃত্যুর বিবরণ:

২০১২ সালের ৩০শে নভেম্বর, শুক্রবার রাতে বন্ধুদের সাথে বেড়াতে গিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার সোনারপুরের কাছে একটি খালে বন্ধুদের গাড়ি পড়ে যায়। বন্ধুদের বয়ান অনুযায়ী, গাড়ি চালানোর সময় জ্ঞানজিৎ পাত্র নামে এক বন্ধু ফোনে কথা বলছিলেন, যার ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি খালে পড়ে যায়। জ্ঞানজিৎ এবং বাকি দুই বন্ধু আলিশা ও তানিয়া বেরিয়ে আসতে পারলেও, অদিতি গাড়ির অন্য পাশে থাকায় পানিতে ডুবে গুরুতর আহত হন। 

অচৈতন্য অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কলকাতার ইএম বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রবিবার দুপুরে হাসপাতালেই তাঁর মৃত্যু হয়। 

রহস্য ও অভিযোগ:

হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় অদিতির বন্ধুরা সবাই ভিজে অবস্থায় ছিল এবং তাদের মুখ থেকে মদের গন্ধ পাওয়া গিয়েছিল বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়। অদিতির মা সংহিতা ঘটক (যিনি ২০১৭ সালে মারা যান) এই ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা নয়, বরং খুন বলে অভিযোগ করেন। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে মূল অভিযুক্ত জ্ঞানজিৎ পাত্রকে গ্রেপ্তার করে। 


বিশ্ববরেণ্য চিত্র পরিচালক ঋত্বিক ঘটকের বড় মেয়ে সংহিতা ঘটক ২০১৭ সালের মার্চ মাসে প্রয়াত হন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬০ বছর এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঘুমের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়।

 

‘ঋত্বিক মেমোরিয়াল ট্রাস্ট'-এর অন্যতম কর্ণধার ছিলেন সংহিতা ঘটক।

তিনি "নোবো নাগরিক" নামে একটি ডকুফিচারও তৈরি করেছিলেন।

 

সুরমা ঘটক, যাকে স্নেহে সুরমা দেবী নামে পরিচিত, একজন প্রখ্যাত লেখিকা এবং প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের স্ত্রী ছিলেন। সাহিত্য ও চলচ্চিত্রে এক সমৃদ্ধ উত্তরাধিকার রেখে তিনি ৯২ বছর বয়সে মারা যান।

শারীরিক অসুস্থতার কারণে ভরতি ছিলেন বাঙ্গুর হাসপাতালে।

 

চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের স্ত্রী সুরমা ঘটক ৭ মে ২০১৮ কলকাতার একটি সরকারি হাসপাতালে মারা যান। তিনি বেশ কয়েক বছর ধরে ক্যান্সারের সাথে লড়াই করছিলেন এবং ২৭ এপ্রিল তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁর বয়স ছিল ৯১ বছর এবং তিনি পুত্র ঋতাবানকে রেখে গেছেন।

 

 

ওই সময়ে সকলে বেঁচে ছিলেন, তুই পরিবারের সকলকে দেখেছিস, কাছে গিয়েছিস, সহায়তা করেছিস। এটাই আসল কাজ যা তুই করেছিস।


ডাক্তার ডেভিসের ডায়েরি : দ্য চেঞ্জিঙ ফেস অব জেনোসাইড

বীরাঙ্গনাদের বন্ধু ডা. জিওফ্রে ডেভিস | Geoffrey Davis  ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতার পরে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নির্যাতনের শিকার লক্ষাধ...