বীরাঙ্গনাদের বন্ধু ডা. জিওফ্রে ডেভিস | Geoffrey Davis
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতার পরে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নির্যাতনের শিকার লক্ষাধিক নারীর পাশে দাঁড়ান অস্ট্রেলিয়ান চিকিৎসক ডা. জিওফ্রে ডেভিস। WHO-এর অনুরোধে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে এসে তিনি নির্যাতিত নারীদের চিকিৎসা, গর্ভপাত সেবা, পুনর্বাসন এবং চিকিৎসক টিম গড়ে তোলায় অসামান্য ভূমিকা রাখেন। তাঁর গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের জরিপে উঠে আসে ভয়াবহ তথ্য—বাংলাদেশে ৪ থেকে ৪.৩ লাখ নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। তাঁর অভিজ্ঞতা পরে প্রকাশিত হয় The Changing Face of Genocide বইয়ে।
ডাক্তার ডেভিসের ডায়েরি : দ্য চেঞ্জিঙ ফেস অব জেনোসাইড
LDL কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে স্বাস্থ্যকর খাবার (ওটস, ফল, সবজি, চর্বিযুক্ত মাছ) এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা উচিত। এছাড়াও, ধূমপান ত্যাগ করা, অ্যালকোহল গ্রহণ কমানো এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট (মাখন, পনির) এড়িয়ে চলাও জরুরি।
খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন
বেশি করে ফল, সবজি এবং গোটা শস্য খান: এগুলোতে দ্রবণীয় ফাইবার থাকে যা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। ওটস, বার্লি, মটরশুঁটি, আপেল, সাইট্রাস ফল, এবং গাজর বেছে নিন।
স্বাস্থ্যকর ফ্যাট খান:অলিভ অয়েল, অ্যাভোকাডো, বাদাম এবং বীজ গ্রহণ করুন।
চর্বিযুক্ত মাছ খান:স্যামন, ম্যাকেরেল এবং সার্ডিনের মতো মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা এলডিএল কমাতে সাহায্য করে।
অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট এড়িয়ে চলুন: মাখন, ক্রিম, মাংসের চর্বি এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি থাকা খাবার যেমন নারকেল তেল ও পাম তেল সীমিত করুন।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার:লেবু জল এবং রসুন খান, কারণ এগুলি কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়ক হতে পারে।
জীবনযাত্রার পরিবর্তন
নিয়মিত ব্যায়াম করুন: শারীরিক কার্যকলাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ।
ধূমপান ত্যাগ করুন: ধূমপান LDL কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
অ্যালকোহল কমিয়ে দিন: অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ এড়িয়ে চলুন।
পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন: ভালো ঘুম কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।
ডাক্তারের পরামর্শ নিন: যদি আপনার LDL কোলেস্টেরলের মাত্রা অনেক বেশি হয়, তাহলে জীবনযাত্রার পরিবর্তনের পাশাপাশি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করতে হতে পারে।
নিয়মিত চেক-আপ: নিয়মিত কোলেস্টেরলের মাত্রা পরীক্ষা করানো উচিত।
***
জীবনধারার পরিবর্তন
নিয়মিত ব্যায়াম:
শারীরিক কার্যকলাপ LDL কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।
ধূমপান ত্যাগ:
এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অ্যালকোহল কম খান:
অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ সীমিত করুন।
ওজন নিয়ন্ত্রণ:
অতিরিক্ত ওজন, বিশেষ করে পেটের চারপাশে, উচ্চ LDL কোলেস্টেরলের সাথে যুক্ত।
খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন
ফাইবার-সমৃদ্ধ খাবার:
ওটস, বার্লি এবং অন্যান্য গোটা শস্যে দ্রবণীয় ফাইবার থাকে যা LDL কমাতে সাহায্য করে।
ফল:
লেবুজাতীয় ফল (যেমন কমলা, জাম্বুরা) এবং বেরিতে থাকা পেকটিন নামক দ্রবণীয় ফাইবার LDL কমাতে সাহায্য করে।
বাদাম ও বীজ:
বাদাম এবং বীজ খাওয়া LDL কমাতে সাহায্য করতে পারে।
চর্বিযুক্ত মাছ:
স্যামন এবং ম্যাকেরেলের মতো মাছ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা LDL কমাতে সাহায্য করে।
অলিভ অয়েল:
অতিরিক্ত ভার্জিন অলিভ অয়েল স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
অ্যাভোকাডো:
এই ফলটি হার্ট-বান্ধব ফ্যাট সরবরাহ করে।
legumes:
মটরশুটি, মটর এবং অন্যান্য শিম জাতীয় খাবার LDL কমাতে সাহায্য করে।
এড়িয়ে চলুন
স্যাচুরেটেড ফ্যাট:
লাল মাংস এবং সম্পূর্ণ চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত দ্রব্যে থাকা স্যাচুরেটেড ফ্যাট গ্রহণ কমান।
ট্রান্স ফ্যাট:
ভাজা খাবার, প্রক্রিয়াজাত স্ন্যাকস এবং কিছু মার্জারিনে ট্রান্স ফ্যাট থাকে, যা LDL বাড়াতে পারে।
অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার:
এই খাবারগুলিতে প্রায়ই অস্বাস্থ্যকর চর্বি এবং লবণ থাকে।
***
ওটস, মটরশুঁটি, শিম জাতীয় খাবার, বাদাম, ফল, সবজি, চর্বিযুক্ত মাছ, অলিভ অয়েল এবং নিয়মিত ব্যায়াম
বার্লি, মটরশুঁটি, আপেল, সাইট্রাস ফল, এবং গাজর
স্যামন, ম্যাকেরেল এবং সার্ডিনের মতো মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড
লেবু জল এবং রসুন
জীবনধারার পরিবর্তনগুলি গুরুত্বপূর্ণ
কিডনি বিন, আস্ত দানাশস্য, ব্রাসেলস স্প্রাউট, আপেল এবং নাশপাতির মতো খাবারেও দ্রবণীয় ফাইবার পাওয়া যায়।
sgot কমানোর উপায় কি
SGOT (AST) মাত্রা কমানোর জন্য কিছু উপায় নিচে দেওয়া হলো। এই পদক্ষেপগুলি জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং চিকিৎসার মাধ্যমে গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে, লিভারের সমস্যার জন্য সঠিক কারণ নির্ণয় এবং চিকিৎসা একজন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নেওয়া সবচেয়ে জরুরি।
SGOT কমানোর উপায়:
১. অ্যালকোহল বর্জন: অ্যালকোহল লিভারের ক্ষতির অন্যতম প্রধান কারণ। SGOT মাত্রা কমাতে চাইলে সম্পূর্ণরূপে বা যতটা সম্ভব অ্যালকোহল সেবন বন্ধ করতে হবে।
২. স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস:
ফল ও শাকসবজি: প্রচুর পরিমাণে তাজা ফল, সবুজ শাকসবজি এবং ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খান।
ফ্যাট কমানো: অতিরিক্ত তেল, ভাজাভুজি এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট যুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
৩. নিয়মিত ব্যায়াম: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট মাঝারি ধরনের ব্যায়াম, যেমন দ্রুত হাঁটা, সাঁতার কাটা বা যোগব্যায়াম করলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং লিভারের স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়।
৪. ওজন নিয়ন্ত্রণ: স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন লিভারের উপর চাপ ফেলে এবং ফ্যাটি লিভারের কারণ হতে পারে। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।
৫. নির্দিষ্ট ওষুধ সম্পর্কে সতর্কতা: কিছু ওভার-দ্য-কাউন্টার (OTC) ওষুধ, যেমন প্যারাসিটামল (Paracetamol), বা অন্যান্য প্রেসক্রিপশন ওষুধ লিভারের ক্ষতি করতে পারে যদি দীর্ঘস্থায়ীভাবে বা অতিরিক্ত মাত্রায় সেবন করা হয়। কোনো ওষুধ সেবনের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।